মাতৃত্বকালীন ভাতা (গর্ভবতী ভাতা) ২০২৬: আবেদনের নিয়ম, যোগ্যতা ও এডিটেবল ফরম ডাউনলোড
570.00৳ Original price was: 570.00৳ .49.00৳ Current price is: 49.00৳ .
গর্ভবতী মায়ের জন্য সরকার নির্ধারিত মাতৃত্বকালীন ভাতা পাওয়ার জন্য সঠিক ডকুমেন্ট দিয়ে সঠিক পদ্ধতিতে আবেদন করার জরুরি। আমাদের এই প্যাকেজ এর মাধ্যমে ডকুমেন্টগুলো সহজে প্রস্তুত করতে পারবেন।
গর্ভবতী মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এবং পুষ্টি নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারের মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে দেওয়া হয় ‘মাতৃত্বকালীন ভাতা’ বা ‘মা ও শিশু সহায়তা তহবিল’। তবে সঠিক তথ্যের অভাবে অনেকেই এই ভাতার সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন। সাধারণ মানুষের হয়রানি কমাতে এবং সরকারি সেবাগুলো সবার কাছে সহজে পৌঁছে দিতে আজকের এই পোস্টে মাতৃত্বকালীন ভাতার আবেদনের এ-টু-জেড নিয়মাবলি তুলে ধরা হলো।
শুধু তাই নয়, আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় ফরম, এএনসি (ANC) কার্ড এবং ইউনিয়ন পরিষদের প্রত্যয়নপত্রের এডিটেবল (Editable) ফাইলও আপনি এখান থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।
মাতৃত্বকালীন বা গর্ভবতী ভাতা কী এবং এর পরিমাণ?
দরিদ্র ও স্বল্প আয়ের পরিবারের গর্ভবতী মায়েদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার জন্য সরকার এই ভাতা প্রদান করে থাকে। বর্তমানে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ‘মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি’-এর আওতায় এই ভাতা দেওয়া হয়।
-
ভাতার পরিমাণ: এই কর্মসূচির আওতায় একজন মা মাসিক ৮০০ টাকা করে ভাতা পেয়ে থাকেন।
-
মেয়াদ: গর্ভধারণের সময় থেকে শুরু করে শিশুর বয়স ৩ বছর হওয়া পর্যন্ত (মোট ৩৬ মাস) এই ভাতার টাকা প্রদান করা হয়।
ভাতা পাওয়ার যোগ্যতা ও শর্তাবলি
সবাই এই ভাতা পাবেন না। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী মাতৃত্বকালীন ভাতা পাওয়ার জন্য কিছু নির্দিষ্ট যোগ্যতা থাকতে হবে:
-
বয়সসীমা: আবেদনকারী মায়ের বয়স কমপক্ষে ২০ বছর হতে হবে।
-
বাচ্চার সংখ্যা: প্রথম বা দ্বিতীয় গর্ভধারণের ক্ষেত্রে এই ভাতা পাওয়া যাবে (সর্বোচ্চ দুইবার)।
-
আর্থিক অবস্থা: পরিবারের মাসিক আয় দরিদ্রসীমার নিচে হতে হবে এবং পরিবারে কৃষি বা অন্য কোনো স্থায়ী আয়ের বড় উৎস থাকা যাবে না।
-
শারীরিক অবস্থা: অবশ্যই রেজিস্টার্ড চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মী দ্বারা গর্ভধারণের বিষয়টি নিশ্চিত হতে হবে।
আবেদনের জন্য কী কী কাগজপত্র লাগে?
আবেদনের আগে নিচের কাগজপত্রগুলো সংগ্রহ করে রাখুন:
-
আবেদনকারী মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) এর ফটোকপি।
-
স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) এর ফটোকপি।
-
পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি (২ কপি)।
-
এএনসি (ANC) কার্ড বা চিকিৎসকের দেওয়া গর্ভধারণের প্রমাণপত্র।
-
নাগরিকত্ব ও মাসিক আয়ের প্রত্যয়নপত্র (চেয়ারম্যান/মেয়র/কাউন্সিলর কর্তৃক স্বাক্ষরিত)।
-
আবেদনকারীর নিজের নামে একটি সচল মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট (বিকাশ বা নগদ)।
📥 ডাউনলোড জোন: প্রয়োজনীয় ফরম ও এডিটেবল ফাইল
আপনাদের সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় ফরমগুলোর ওয়ার্ড (Word) এবং পিডিএফ (PDF) ফাইল নিচে দেওয়া হলো। ওয়ার্ড ফাইলগুলো ডাউনলোড করে আপনি সহজেই নিজের নাম ও তথ্য বসিয়ে প্রিন্ট করে নিতে পারবেন।
-
মাতৃত্বকালীন ভাতার আবেদন ফরম (PDF): [এখানে আপনার ওয়েবসাইটের ডাউনলোড লিংক দিন]
-
এডিটেবল এএনসি (ANC) কার্ডের নমুনা ফরম (Word): [এখানে আপনার ওয়েবসাইটের ডাউনলোড লিংক দিন]
-
নাগরিকত্ব ও আয়ের প্রত্যয়নপত্র (Editable Word File): [এখানে আপনার ওয়েবসাইটের ডাউনলোড লিংক দিন]
নির্দেশনা: ফাইলগুলো ডাউনলোড করার পর Microsoft Word অথবা মোবাইল অ্যাপ দিয়ে খুলে আপনার নিজের নাম, ঠিকানা ও অন্যান্য তথ্যগুলো এডিট করে বসিয়ে নিন এবং এরপর প্রিন্ট করে জমা দিন।
অনলাইনে মাতৃত্বকালীন ভাতার আবেদন করার নিয়ম
আপনি চাইলে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার বা নিজের কম্পিউটার/স্মার্টফোন থেকেও আবেদন করতে পারেন। ১. প্রথমে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত পোর্টাল mis.dwa.gov.bd বা স্থানীয় ই-সেবা কেন্দ্রে প্রবেশ করুন। ২. ‘মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি’ বা ‘মাতৃত্বকালীন ভাতা’ অপশন নির্বাচন করুন। ৩. মায়ের এনআইডি নম্বর এবং জন্ম তারিখ দিয়ে ভেরিফাই করুন। ৪. ফর্মে প্রয়োজনীয় তথ্য (নাম, ঠিকানা, স্বামীর নাম, মোবাইল ব্যাংকিং নম্বর) নির্ভুলভাবে পূরণ করুন। ৫. প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস (ছবি, এনআইডি, এএনসি কার্ড) স্ক্যান করে আপলোড করুন। ৬. সবশেষে সাবমিট বাটনে ক্লিক করে আবেদনের একটি প্রিন্ট কপি নিজের কাছে সংরক্ষণ করুন।
ভাতার স্ট্যাটাস এবং নামের তালিকা চেক করার উপায়
আবেদন করার পর আপনার নাম তালিকায় উঠেছে কি না, তা খুব সহজেই অনলাইনে চেক করতে পারবেন।
-
মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনার এনআইডি (NID) নম্বর দিয়ে সার্চ করলেই আবেদনের বর্তমান স্ট্যাটাস দেখতে পাবেন।
-
ভাতা অনুমোদিত হলে, প্রতি মাসের নির্ধারিত সময়ে আপনার দেওয়া বিকাশ বা নগদ অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা চলে আসবে। এর জন্য কোথাও ধরনা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
চাকরিজীবীদের মাতৃত্বকালীন ছুটির বিধিমালা
যারা বিভিন্ন সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত, তাদের জন্য মাতৃত্বকালীন ছুটির সরকারি বিধান রয়েছে:
-
সরকারি চাকরিজীবী: বাংলাদেশ সার্ভিস রুলস অনুযায়ী একজন নারী সরকারি কর্মচারী তার পুরো চাকরিজীবনে সর্বোচ্চ দুইবার, প্রতিবার ৬ মাস (১৮০ দিন) সবেতনে মাতৃত্বকালীন ছুটি পান।
-
বেসরকারি প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ শ্রম আইন অনুযায়ী, একজন নারী শ্রমিক বা কর্মী প্রসবের আগে ৮ সপ্তাহ এবং পরে ৮ সপ্তাহ—মোট ১৬ সপ্তাহ (১১২ দিন) সবেতনে মাতৃত্বকালীন ছুটি পাওয়ার অধিকার রাখেন।
-
এমপিওভুক্ত (MPO) শিক্ষক-কর্মচারী: এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নারী শিক্ষক ও কর্মচারীরাও সরকারি নিয়মের মতোই ৬ মাসের সবেতন মাতৃত্বকালীন ছুটি পেয়ে থাকেন (সর্বোচ্চ দুইবার)।
সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)
১. কত মাস হলে গর্ভবতী ভাতার আবেদন করা যায়? গর্ভধারণ নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই আবেদন করা যায়। তবে সাধারণত গর্ভধারণের ৩-৪ মাসের মধ্যে এএনসি (ANC) কার্ড সংগ্রহ করে আবেদন করাটা সবচেয়ে ভালো।
২. বাচ্চা পেটে থাকলে সরকারি টাকার জন্য কোথায় যাব? অনলাইনে আবেদনের পাশাপাশি আপনি আপনার এলাকার ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, ওয়ার্ড মেম্বার/কাউন্সিলরের কার্যালয় অথবা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে পারেন।
৩. প্রথম বাচ্চার পর কি দ্বিতীয় বাচ্চার জন্য ভাতা পাওয়া যায়? হ্যাঁ, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী একজন মা তার প্রথম এবং দ্বিতীয় বাচ্চার জন্য (সর্বোচ্চ দুইবার) এই ভাতা পাওয়ার যোগ্য।
৪. ডাউনলোড করা এডিটেবল ফরমগুলো কীভাবে পূরণ করব? ডাউনলোড জোন থেকে ওয়ার্ড (Word) ফাইলগুলো নামিয়ে নিন। এরপর কম্পিউটারে বা মোবাইলের ডকস (Docs) অ্যাপ দিয়ে ওপেন করে ডট দেওয়া (…….) বা ফাঁকা জায়গাগুলোতে আপনার নিজের তথ্য টাইপ করে প্রিন্ট করে নিন।
| Compatibility | Microsoft Office Word, PDF Reader, Editor |
|---|---|
| Features | Editable |
| Sizeআপনি কোন সাইজ নিতে চান? | Under 500 KB |
Related products
অষ্টম শ্রেণি বোর্ড রেজিষ্ট্রেশন ফরম ২০২৬ (Editable MS Word & PDF) – Class 8 Registration Form
In stock
এমপিও শিক্ষকদের বকেয়া আবেদন ডকুমেন্টস্ ফরম্যাট – MPO Teachers Arrears Documents PDF and Word
In stock
বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্ট আবেদন ফরম্যাট (Editable MS Word)
In stock
স্কুল ও কলেজ উপবৃত্তি আবেদন ফরম ২০২৬ (এডিটেবল MS Word ও PDF)
In stock






Documents
Forms
Exhaust Fan
Pest Control
Diabetes Care
Portable WiFi Camera
Reviews
Clear filtersThere are no reviews yet.